Enter your keyword

MENU
home
  • Latest

    latest

    Brexit

    প্রযুক্তি

    Football

    আন্তর্জাতিক

    America

    প্রযুক্তি

    Tech

    জাতীয়

    Games

    আন্তর্জাতিক

    VIDEO

    মিডিয়া

    News By Picture

    বিনোদন

    ৩০ বছর কমে গেল সালমানের বয়স!

    কোন মন্তব্য নেই
    Print Friendly and PDF

    বলিউডেরভাইজান সালমান খান।৫২ বছরে পা দিয়েছেনগত বছর। কিন্তুএবার রাতারাতি তার বয়স ৩০বছর কমে গেল! ঠিকইপড়েছেন। তবে এটিবাস্তবে নয়, পর্দায়।সালমান ও পরিচালক আলিআব্বাস জাফর জুটির ম্যাজিকআবার দেখা যাবে তাদেরআগামী ছবি ‘ভারত’-এ। খবর: এবেলার।
    ছবিটিমুক্তি পাচ্ছে আগামী বছরঈদে। ছবির সবথেকে বড় আকর্ষণের বিষয়হতে যাচ্ছে, এই ছবিতে সালমানখানকে ১৮ বছরের তরুণথেকে ৬০ বছরের বৃদ্ধ- নানা লুকে দেখা যাবে।
    ছবিতেসালমান খানের প্রথম ছবি‘ম্যায়নে পেয়ার কিয়া’রলুকটিও রিক্রিয়েট করা হবে।এর জন্য অবশ্যই ভিএফএক্সেরসাহায্য নেয়া হবে।
    এর আগে সালমান খানও পরিচালক আলি আব্বাস জাফরজুটি দুটি সুপারহিট ছবিউপহার দিয়েছে। সেইদুই ছবি ‘সুলতান’ ও‘টাইগার জিন্দা হ্যায়’-এরপরে তিন নম্বর ছবিটিকেঘিরেও ক্রমে বাড়ছে প্রত্যাশা।
    সদ্য তরুণ সালমান খানেরনব্বইয়ের দশকের সেই লুকএখনকার প্রজন্ম সেভাবে দেখেনি।তাই পরিচালক নিজেও এই বিষয়টিনিয়ে যথেষ্ট উত্তেজিত।
    ছবির গল্পটি লেখা হয়েছেষাটের দশকের সার্কাসের প্রক্ষাপটকেঘিরে। সেই সময়েকী পরিস্থিতি ছিল সার্কাসের, সেখানথেকেই গল্পের শুরু।
    ছবির প্রথম দফার শুটিংয়ে সালমান খানের আগুনের গোলার মধ্যে দিয়ে মোটরসাইকেল চালানোর দৃশ্য শুট করা হয়েছে। সেই শুটিংয়ের একটি দৃশ্য ইতিমধ্যেই শেয়ার করেছেন পরিচালক।ছবিটি প্রযোজনা করছেন সালমানের ভগ্নিপতি অতুল অগ্নিহোত্রী।

    ফের বিয়ে করতে চলেছেন হৃতিক!

    কোন মন্তব্য নেই
    Print Friendly and PDF
    আবারও বিয়ে করতে চলেছেন বলিউড তারকা হৃতিক রোশন। দুই ছেলে রেহান ও রিদানের কথা ভেবেই নাকি তিনি আবার বিয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কিন্তু এবার কাকে বিয়ে করছেন হৃতিক? আনন্দবাজার জানিয়েছে, ২০১৪ সালে বিয়ে বিচ্ছেদ হয়েছিল হৃতিক রোশন এবং সুজানা খান। তার পর থেকেই দুই ছেলের দায়িত্ব সমান ভাবে পালন করেছেন তারা। শোনা যাচ্ছে, বিয়ে বিচ্ছেদের পর দুই ছেলের কথা ভেবেই নাকি ফের বিয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এই জুটি! বিয়ে বিচ্ছেদের পর যখন কঙ্গনার সঙ্গে প্রকাশ্য ঝামেলায় জড়িয়েছিলেন হৃতিক তখনও সব সময় পাশে পেয়েছেন সুজানাকে। এমনকি এক সাক্ষাত্কারে সুজানাকে নিজের জীবনের ভালবাসার মানুষের নাম বলতে বলা হয়। সেখানে তিনি দুই ছেলের পর হৃতিকের নামই বলেছিলেন। সেই সাক্ষাত্কারও ছিল বিচ্ছেদের পরই। ফলে সব মিলিয়ে হৃতিক-সুজানা যে ভাল বন্ধু, তা একাধিকবার প্রকাশ্যে বলেছেন এই জুটি। দাম্পত্য না টিকলেও বন্ধুত্বে যে বিচ্ছেদ হবে না, এমন ইঙ্গিতই দিয়েছিলেন তারা। এ বার ছেলেদের কথা ভেবেই নাকি নিজেদের সম্পর্ককে আরও একবার সময় দিতে চান এই জুটি। তবে ফের বিয়ে করছেন কিনা তা নিয়ে এখনও পর্যন্ত প্রকাশ্যে মুখ খোলেননি দুজনের কেউই।

    প্রিয়াংকার বিয়েতে খুশি নন সালমান, অপেশাদার বললেন ‘ভারত’ প্রযোজক

    কোন মন্তব্য নেই
    Print Friendly and PDF

    অবশেষে মুখ খুললেন প্রিয়াংকা নিজেই। স্বীকার করলেন নিকের সঙ্গে আংটি বদলের গল্প। গত ১৮ জুলাই নিজের ৩৬তম জন্মদিনেই নিকের সঙ্গে বাগদান সেরেছেন বললেন পিয়াংকা। খবর- এনডিটিভি।
    বলিউড দেশিগার্ল বলছেন এখন তার ‘নিক অব টাইম’। চলতি বছর শেষেই বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চলেছেন তারা। প্রিয়াংকা-নিকের বিয়ের খবরে মশগুল বি-টাউন।
    শুধুমাত্র এর ব্যাতিক্রমে রয়েছেন বলিউড ‘এলিজিবল ব্যাচেলর’ খ্যাত অভিনেতা সালমান খান ও ‘ভারত’ ছবি প্রযোজক নিখিল নামিত। প্রিয়াংকার বিয়ের সিদ্ধান্তে মোটেই খুশি নন তারা। এর পেছনে যে কারণ রয়েছে তাহল, নিকের সঙ্গে কোয়ালিটি টাইম পার করার জন্য ‘ভারত’ ছবিটি থেকে সরে গিয়েছেন প্রিয়াংকা।
    প্রায় ১২ বছর পর সালমান খানের সঙ্গে জুটি বেঁধে ‘ভারত’-এ অভিনয় করার কথা ছিল প্রিয়াংকা চোপড়ার।
    কিন্তু হঠাৎ করে প্রিয়াংকা ছবিটিতে অভিনয় না করার সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিলে এ অভিনেত্রীর ওপর সালমান প্রচণ্ড রেগে যান। আর কখনও প্রিয়াংকার সঙ্গে কাজ না করার কথাও বলেছেন তিনি।
    এদিকে ছবিটির প্রযোজক নিখিল নামিত সংবাদমাধ্যম মিড ডে কে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে মাত্র দুদিন আগে হঠাৎ করে এভাবে সরে যাওয়াকে প্রিয়াংকার অপেশাদারিত্ব বলে উল্লেখ করেন।

    আমেরিকা ও ইসরায়েলের মধ্যে এমন ঘনিষ্ঠতার কারণ কি?

    কোন মন্তব্য নেই
    Print Friendly and PDF

    সমসাময়িক বিশ্ব রাজনীতির ব্যাপারে ন্যূনতম ধারণাও যাদের রয়েছে, তারা একটি বিষয় নিশ্চয়ই খেয়াল করেছেন যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সবসময়ই চেষ্টা করে ইসরায়েলের স্বার্থ রক্ষার। এত ছোট একটি দেশ ইসরাইল, যার জনসংখ্যা দশ মিলিয়নেরও কম, সেই দেশটির প্রতি আমেরিকার মত বিশ্বের সর্বোচ্চ পরাশক্তির এতটা ভালোবাসার কারণ কী? প্রতি বছরই ইসরাইলকে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার সাহায্য করছে আমেরিকা। সেই সাথে রয়েছে যেকোন জাতীয় কিংবা আন্তর্জাতিক ইস্যুতে ডিপ্লোম্যাটিং ব্যাকিংও। এর পেছনে প্রকৃত কারণ কী হতে পারে? কী করেই বা এই দুই দেশের মধ্যে এমন বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের সৃষ্টি হলো?
    সবসময়ই যে এই দুই দেশের মধ্যে এতটা ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল, তা মনে করলে কিন্তু খুব বড় ভুল করবেন। ইসরায়েল জন্মের পর থেকে প্রথম কয়েক দশক পর্যন্ত এই ঘনিষ্ঠতার লেশমাত্রও ছিল না। প্রেসিডেন্ট আইজেনহাওয়ারের সময়ে ইসরায়েলের প্রতি আমেরিকার দৃষ্টিভঙ্গি তো ছিল খুবই শত্রুভাবাপন্ন। বিশেষত ১৯৫৬ সালে যখন সুয়েজ যুদ্ধ হয়, যেখানে মিশরের বিপক্ষে লড়াই করে ইসরায়েল, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স।
    কিন্তু স্নায়ুযুদ্ধ যতই ঘনীভূত হতে থাকে, ইসরায়েলের সাথে আমেরিকার ঘনিষ্ঠতা ততই বৃদ্ধি পেতে থাকে। মধ্যপ্রাচ্যকে সোভিয়েত প্রভাবমুক্ত করতে আমেরিকার একটি বড় কোন রাষ্ট্রের সহায়তা দরকার ছিল। তাই বাস্তবে ইসরায়েল বড় কোন রাষ্ট্র না হলেও, সেটিকেই ‘বড়’ করে তোলার দায়ভার নিজের কাঁধে তুলে নেয় আমেরিকা। অবশ্য আমেরিকা-ইসরায়েল জুটি সত্যিকারের চূড়ান্ত রূপ ধারণ করতে সময় নেয় ১৯৭৩ সাল পর্যন্ত, যখন ইসরায়েলকে আকস্মিক আরব আক্রমণের হাত থেকে রক্ষা করতে ত্রাণকর্তার ভূমিকায় আবির্ভূত হয় আমেরিকা।
    স্নায়ুযুদ্ধের পর থেকে আমেরিকা-ইসরায়েলের সম্পর্ক খুবই গভীর ও শক্তিশালী, এবং অনেকের মতেই এখন তা অন্য যেকোন সময়ের চেয়ে বেশি। অনেকের কাছেই এর প্রধান কারণ মনে হয় জিহাদিদের বিপক্ষে লড়াইয়ে দুই দেশের অভিন্ন স্বার্থ। তবে অনেকের ধারণা একেবারেই ব্যতিক্রম। আমেরিকান নেতৃস্থানীয়দের গণতন্ত্রের প্রতি দুর্বলতাই নাকি ইসরায়েলের সাথে আমেরিকার সম্পর্ককে উত্তরোত্তর শক্তিশালী করে তুলছে। তবে সবচেয়ে সহজ ব্যাখ্যা যেটি হতে পারে তা হলো, আমেরিকার মানুষের ইসলাম ধর্মের প্রতি বিদ্বেষমূলক মনোভাব, যার ফলে ইসরায়েল-ফিলিস্তিন ইস্যুতে দেশটির অধিকাংশ মানুষের সমর্থনই যায় ইসরায়েলের দিকে।
    এ প্রসঙ্গে অধ্যাপক জন মেয়ারশিমার ও স্টিফেন ওয়াল্টের প্রণীত একটি জনপ্রিয় তত্ত্ব রয়েছে, যেটি বলছে যে দুই দেশের মধ্যে এত গভীর সম্পর্কের পেছনে প্রধান প্রভাবক হলো প্রো-ইসরায়েল লবির শক্তি, বিশেষত আইপ্যাকের (আমেরিকান ইসরায়েল পাবলিক অ্যাফেয়ার্স কমিটি)। তবে এ তত্ত্বের সমালোচকরা বলেন যে আইপ্যাক অতটাও শক্তিশালী নয়, যতটা ওয়াল্ট ও মেয়ারশিমার মনে করেন। ওবামার শাসনামলে আইপ্যাক কর্তৃক ইরানের সাথে পারমাণবিক চুক্তি ব্যর্থ হওয়ার দিকেই সমালোচকরা আঙ্গুল তুলে থাকেন।
    তবে আমেরিকা-ইসরায়েলের মধ্যকার এই ‘বিশেষ সম্পর্ক’- এর পেছনে কারণ যা’ই থাকুক না কেন, ইসরায়েলের প্রতি আমেরিকার অর্থনৈতিক সমর্থন ক্রমশই বেড়ে চলেছে। এখন পর্যন্ত ইসরায়েলকে ১১৮ বিলিয়ন ডলার সাহায্য করেছে আমেরিকা, এবং ইদানিং প্রতি বছর ইসরায়েলের জন্য ৩ বিলিয়ন ডলার বরাদ্দ রেখেছে তারা। এছাড়া জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে ইসরায়েলের স্বার্থবিরোধী যেকোন সিদ্ধান্ত গ্রহণের পথেই নিজেদের ভেটো ক্ষমতার প্রয়োগ ঘটাচ্ছে তারা। সম্প্রতি জেরুজালেমকে ইসরায়েলের প্রকৃত রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে আমেরিকান দূতাবাস তেল আভিভ থেকে জেরুজালেমে সরিয়ে নিয়ে গিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
    অবশ্য এত ঘনিষ্ঠতার পরও প্রায়সই ইসরায়েল ও আমেরিকান অফিসিয়ালদের মধ্যে টেনশন বিরাজ করতে দেখা যায়। এই প্রবণতা আরও বেশি বেড়ে গিয়েছিল ওবামার শাসনামলে, যখন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন নেতানিয়াহু। এই দুই নেতা বেশ কয়েকবারই সেটলমেন্ট ও ইরান ইস্যুতে পরস্পরবিরোধী সিদ্ধান্ত নিয়ে পরিস্থিতি ঘোলাটে করে তুলেছিলেন। এ সম্পর্ক আরও খারাপের দিকে মোড় নেয় যখন ২০১৫ সালের মার্চে কংগ্রেসের এক যৌথ সম্মেলনে ইরান ইস্যুতে ওবামার অবস্থানের সমালোচনায় মুখর হন নেতানিয়াহু। এরপর ওবামার পক্ষ থেকেও নেতানিয়াহুর দিকে সমালোচনার তীর ছোঁড়া হতে থাকে, এবং এক পর্যায়ে মনে হতে শুরু করে আমেরিকা-ইসরায়েলের এতদিনের সম্পর্কে এবার বুঝি ছেদ ঘটবে।





    থাগস অফ হিন্দুস্তান: অর্ধেক বাস্তব আর অর্ধেক কল্পনা

    কোন মন্তব্য নেই
    Print Friendly and PDF


    কানে দুল, লম্বা চুল, জাঁদরেলি গোঁফ; সব মিলিয়ে অদ্ভুত একটা প্যাকেজ! গতবছর আমির খানকে এই রূপে দেখে চমকে উঠেছিলেন সবাই। পরে জানা গিয়েছিল, ‘থাগস অফ হিন্দুস্তান‘ নামের নতুন একটা সিনেমার জন্যেই আমিরের এই বেশভূষা। আমির খানের সিনেমা মানেই বিশাল কিছু, দর্শকের আগ্রহ সেটা নিয়ে থাকবেই। আমিরের সিনেমা মুক্তি পাওয়া মানেই সিনেমা হলে দর্শকের ঢল, বক্স অফিসে তোলপাড়। থাগস অফ হিন্দুস্তান মুক্তি পাচ্ছে এই দিওয়ালীতে, নভেম্বরের সাত তারিখে। সেটার বেলাতেও ব্যতিক্রম কিছু হবে না নিশ্চয়ই।

    আগ্রহের পারদটা বাড়িয়ে দিচ্ছে সিনেমার বিষয়বস্তু। আর আমিরের সহ অভিনেতারাও ‘থাগস অফ হিন্দুস্থান’ নিয়ে হাইপ ওঠার একটা বড় কারণ। আমিরের সঙ্গে প্রথমবার স্ক্রীন শেয়ার করতে যাচ্ছেন বলিউড কিংবদন্তী অমিতাভ বচ্চন। ধুম-৩ এর পরে ক্যাটরিনা কাইফ আবার পর্দায় ফিরছেন আমিরের বিপরীতে। আছেন দাঙ্গাল গার্লজের একজন ফাতিমা সানা শেখ, আরও আছেন রোনিত রয়। এই সিনেমা নিয়ে আলোচনা না হওয়াটাই তো বরং অস্বাভাবিক। 

    থাগস শব্দটার উৎপত্তি ঠগী থেকে। সতেরশো, আঠারোশো আর উনিশ শতকে এই ঠগীদের তৎপরতা ছিল ভারতবর্ষ জুড়ে। বিশেষ করে মধ্য ভারত আর বাঙলায় এদের দাপট ছিল বেশি। লোক ঠকানো, চুরি, ডাকাতি, জোচ্চুরি, এমন কোন কাজ ছিল না যেটা এরা করতো না। আমির খান এবার পর্দায় আসছেন সেই ঠগী সেজেই। সিনেমার গল্প নেয়া হয়েছে ফিলিপ মেন্ডজ টেইলরের ১৮৩৯ সালে রচিত ‘কনফেশন অফ এ থাগ’ বইটা থেকে। সেই গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র আমির আলী হিসেবেই রূপালী পর্দায় আসবেন আমির খান, যিনি ইংরেজ সরকারকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ জানিয়েছিলেন। ১৭৯০ থেকে ১৮০৫ সালের মধ্যবর্তী সময়কার গল্প বলা হবে থাগস অফ হিন্দুস্তানে।ভারতে থাগ বা ঠগীদের উৎপাত ছিল প্রায় ছয়শো বছর ধরে। এরা মূলত দলবেঁধে ঘুরে বেড়াতো, কেউ আবার একাকীও ঘুরতো। ভারতে বেড়াতে আসা বিদেশী পর্যটকেরা ছিল এদের প্রধান টার্গেট। অন্য এলাকা থেকে কাজের সন্ধানে বা অন্য কোন কারণে অন্য এলাকায় আসা মানুষজন। এরা পর্যটকদের সাথে বন্ধুর মতো মিশে যেতো, তাদের আস্থা অর্জন করতো, তারপর সুযোগ বুঝে তাদের খুন করে টাকাপয়সা মেরে দিতো। এক সমীক্ষায় জানা যায়, চারশো বছরেরও বেশি সময়ে ঠগীদের হাতে প্রায় পাঁচ লক্ষ থেকে বিশ লক্ষ মানুষ খুন হয়েছিল। বৃটিশ সরকার অষ্টাদশ শতকে ঠগীদের দমনের জন্যে কঠোর পদক্ষেপ নেয়, ফলে বৃটিশদের সঙ্গে ঠগীদের সংঘর্ষ অনিবার্য হয়ে পড়ে। এই সত্যিকার ঘটনাগুলোকে ফিকশনের আবরণে মুড়েই আসছে থাগস অফ হিন্দুস্তান।

    যশরাজ ফিল্মজের ব্যানারে নির্মিত হচ্ছে সিনেমাটা, পরিচালনার দায়িত্বে আছেন বিজয়কৃষ্ণ আচার্য্য। ‘তাশান’ সিনেমাটা পরিচালনা করেছিলেন তিনি, এছাড়াও ধুম সিরিজের সবগুলো সিনেমার চিত্রনাট্য আর সংলাপ তার লেখা। ধুম-৩ এর পরিচালকও ছিলেন তিনিই। যদিও সেটাকে বলা হয় গত কয়েকবছরে আমির খানের সবচেয়ে দুর্বল সিনেমা। থাগস অফ হিন্দুস্তানে অতীতের অপবাদ কতটা ঝেড়ে ফেলতে পারবেন বিজয়কৃষ্ণ আচার্য্য, সেটাও দেখার বিষয়। 

    গল্পের মূল চরিত্র আমির আলীর বাবা মা নিহত হয়েছিলেন ঠগীদের হাতে। শিশু আমিরকে ইসমাইল নামের এক ঠগীই নিয়ে এসেছিল তার বাড়িতে, নিজের সন্তানের মতো বড় করেছিল। সময়ের পরিক্রমায় সে হয়ে উঠেছিল দুর্ধর্ষ ঠগীদের একজন। সিনেমার গল্প এগিয়ে যাবে আমির আলীর বয়ানেই। নিজের জীবনকালে প্রায় সাতশোরও বেশি মানুষকে খুন করেছিল আমির আলী। সেই ভয়ঙ্কর চরিত্রটাই রূপালী পর্দায় ফুটিয়ে তুলবেন আমির খান। অমিতাভ বচ্চন থাকবেন হয়তো ইসমাইলের চরিত্রে।
    অমিতাভ বচ্চন আর আমির খানকে নব্বইয়ের দশকে বেশ কিছু স্টেজ পারফরম্যান্সে বা পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে একসঙ্গে দেখা গেছে। তবে এই প্রথম সিনেমায় স্ক্রীন শেয়ার করবেন এই দুই তারকা। তবে সেটা স্বচক্ষে দেখার জন্যে দর্শককে অপেক্ষা করতে হবে এবছরের নভেম্বর পর্যন্ত।

    অক্টোবর- বরুণ ধাওয়ানের ‘অভিনেতা’ হয়ে ওঠার ছবি!

    কোন মন্তব্য নেই
    Print Friendly and PDF
    বরুণ ধাওয়ান- বলিউডে বর্তমান প্রজন্মের সবচেয়ে জনপ্রিয় তারকাদের একজন। করণ জোহর পরিচালিত ‘স্টুডেন্ট অফ দ্য ইয়ার’ ছবির মাধ্যমে যাত্রা শুরু করা বরুণের সাড়ে ছয় বছরের ক্যারিয়ারে এখন পর্যন্ত কোন ফ্লপ ছবি নেই। আজকের দিনে এসেও পুরো ১০০ শতাংশ সাফল্যের হার বজায় রাখা সত্যিই অভাবনীয় একটি বিষয়। বরুণের ক্ষেত্রে তা আরও বেশি, কেননা একজন অভিনেতা হিসেবে তার রেপুটেশন যে একদমই ভালো নয়। বরুণ মানেই অনেকের কাছেই স্রেফ মাত্রাতিরিক্ত চড়া, অতি অভিনয়। ‘স্টুডেন্ট অফ দ্য ইয়ার’ থেকে শুরু করে জুড়ুয়া ২ পর্যন্ত তার ক্যারিয়ারের প্রথম নয়টি ছবির মধ্যে এক বাদলাপুর বাদ দিলে, বাকি আটটি ছবিতেই তার রোলগুলো প্রায় একই ধাঁচের ছিল। সেগুলোতে যেমন ছিল না কোন বৈচিত্র্য, তেমনি একজন প্রকৃত অভিনেতা হিসেবেও কখনোই নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করে উঠতে পারেননি তিনি। ফলে তার ছবিগুলো বক্স অফিসে যতই রমরমিয়ে চলুক না কেন- শিক্ষিত, চিন্তাশীল ও রুচিশীল দর্শকদের কাছে ন্যূনতম গ্রহণযোগ্যতা পাওয়া তো দূরে থাক, তার নাম শুনলেই নাক সিঁটকাত অনেকে, সেই সাথে প্রচুর ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ ও হাসি-তামাশা তো আছেই। তবে বরুণ সম্পর্কে দর্শকের যে দৃষ্টিভঙ্গির কথা বলছি, সেটি মাস তিনেক আগেও যতটা প্রাসঙ্গিক ছিল, এখন আর ততটা নেই। বরং এখন অনেকটাই পাল্টে গেছে দৃশ্যপট। তারকার তকমা ঝেড়ে ফেলে বরুণ এখন একজন অভিনেতা হয়ে উঠেছেন। তার সম্পর্কে মানুষের চিরাচরিত ধারণা পুরোপুরি ভাঙতে হয়ত এখনও কিছুটা সময় লাগবে, কিন্তু তারপরও এমন অনেকেই এখন আছেন যাদের কাছে সময়ের সবচেয়ে প্রতিশ্রুতিশীল অভিনেতাদের নাম জানতে চাওয়া হলে বরুণের কথাও অবশ্যই উল্লেখ করবেন। যে ছবিটির মাধ্যমে এই সবকিছু সম্ভব হয়েছে, সেটির নাম ‘অক্টোবর’। ছয় বছরে টানা নয়টি হিট ছবিতে অভিনয় করেও বরুণ দর্শকের কাছ থেকে যে সম্মান পাননি, সুজিত সরকারের পরিচালনায় মাত্র একটি ছবি করেই তা আদায় করে নিতে সক্ষম হয়েছেন। এমনকি সঞ্জয় দত্তের বায়োপিক ‘সাঞ্জু’তে রনবীর কাপুর যদি অবিস্মরণীয় পারফরম্যান্স উপহার না দিতেন, তাহলে এই দাবি করাও বোধহয় অমূলক ছিল না যে বলিউডে মূলধারার ছবিতে এখন পর্যন্ত বছরের সেরা অভিনেতা বরুণই! অথচ অক্টোবর ছবিতে বরুণের অভিনয় করার কথাই ছিল না। সুজিত সরকার ও জুহি চতুর্বেদী মিলে যখন এ ছবির কাহিনী লিখছিলেন, তাদের মাথায় ঘুণাক্ষরেও আসেনি বরুণের নাম। তারা একদমই নতুন কোন মুখ চাইছিলেন এ ছবিতে অভিনয় করার জন্য। তাদের উদ্দেশ্য ছিল, দরকার হলে এমন কাউকে তুলে আনবেন যে কিনা অভিনয়ের অ-টা না জানলেও সমস্যা নেই, তারাই নিজেদের মত করে গড়ে নেবেন সেই অভিনেতাকে। এবং দর্শকের সামনে হাজির করবেন একেবারে ফ্রেশ কিছু। কিন্তু তাহলে শেষ পর্যন্ত বরুণ কেন? সে কাহিনী বেশ চমকপ্রদ। বরুণ যখন অক্টোবর ছবির জন্য চুক্তিবদ্ধ হন, তখনও তার বদ্রিনাথ কি দুলহানিয়া মুক্তিই পায়নি। কাজ শুরু হয়নি জুড়ুয়া টু-রও। অর্থাৎ তখন পর্যন্ত বরুণের সাতটি ছবি মুক্তি পেয়েছে। অথচ ওই সাতটি ছবির একটিও দেখেননি সুজিত। ফলে বরুণের অভিনয়দক্ষতা সম্পর্কে কোন ধারণাই ছিল না তার। কিন্তু একদিন সুজিতের অফিসে গিয়ে অক্টোবর ছবির কাহিনী সম্পর্কে জেনেই সেটির প্রেমে পড়ে যান বরুণ। তার মনে হয়, যে করেই হোক এই ছবিতে তাকে অভিনয় করতেই হবে!

    শহুরে বাড়িতে সবুজ বাগান

    কোন মন্তব্য নেই
    Print Friendly and PDF

    বর্ষা এলেই প্রকৃতি সবুজে সাজে। শহুরে বাড়ির বারান্দা ও ছাদে দেখা যায় সবুজ গাছপালা। বছরের অন্য সময়ের তুলনায় বর্ষাকালে গাছের কম যত্ন নিতে হয় বলে অনেকেই বাগান করেন। তবে শখের বাগানি থেকে নগর কৃষক হয়ে ওঠা কঠিন কিছু না। ফুল-ফলের গাছের বাইরেও নানা ধরনের সবজির আবাদ করা যায় ছাদে, যেখান থেকে আপনার ঘরের নিয়মিত রান্নায় সবজির জোগান পাবেন।
    আমি এক দিন পরপর আমার বাগান থেকে নানা ধরনের শাকসবজি তুলি। সেটা রান্না করে খাওয়ার মধ্যে আলাদা একটা আনন্দ আছে। বাজারের কেনা সবজি থেকে এসব সবজির স্বাদও হয় আলাদা। রাজধানীর কল্যাণপুরের কৃষ্ণচূড়া অ্যাপার্টমেন্টে নিজের এই ছাদবাগান শুরু করেছিলাম ২০০৮ সালের দিকে। নিজেই যখন ডুপ্লেক্স ফ্ল্যাটের অন্দরসজ্জা করি, তখন মাথায় রেখেছিলাম এক টুকরো বাগানের। কিছুই না জেনে বাগানে নানা ধরনের গাছ লাগাতে শুরু করি। নার্সারি থেকে গাছ এনে লাগানোর পর মরে যেত। নার্সারির বিক্রেতারা অনেক সময় ভুল তথ্য দেন, যে গাছ ছাদের উপযোগী, সেটাকে তাঁরা বারান্দার গাছ বলেও বিক্রি করেন। শুরুতে এই সমস্যায় অনেকবার পড়েছি। এরপর নানা বিষয়ে পড়াশোনা ও কর্মশালা করে গাছের যত্ন নিতে শিখেছি।
    ছাদ বা বারান্দায় বাগানের জন্য কিন্তু যত্ন গুরুত্বপূর্ণ। প্রথমে মাটি তৈরি করতে হবে বেশ কিছু বিষয় মাথায় রেখে—সহজে যেন পানি নিষ্কাশন হয়, পরিপূর্ণ পুষ্টি পায়, মাটি যেন ঝুরঝুরে হয়। খেয়াল রাখতে হবে যেন গাছে অতিরিক্ত পানি দেওয়া না হয়। আবার কম পানিও দেওয়া যাবে না। বর্ষাকালে নিয়মিত বৃষ্টি হয়, তাই গাছের গোড়া না শুকিয়ে গেলে আলাদা করে পানি দিতে হবে না। খেয়াল রাখুন টব বা বেডে যেন পানি জমে না থাকে।

    © all rights reserved
    made with by templateszoo