Enter your keyword

MENU
home
  • জাতীয় লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
    জাতীয় লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

    আমেরিকা ও ইসরায়েলের মধ্যে এমন ঘনিষ্ঠতার কারণ কি?

    কোন মন্তব্য নেই
    Print Friendly and PDF

    সমসাময়িক বিশ্ব রাজনীতির ব্যাপারে ন্যূনতম ধারণাও যাদের রয়েছে, তারা একটি বিষয় নিশ্চয়ই খেয়াল করেছেন যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সবসময়ই চেষ্টা করে ইসরায়েলের স্বার্থ রক্ষার। এত ছোট একটি দেশ ইসরাইল, যার জনসংখ্যা দশ মিলিয়নেরও কম, সেই দেশটির প্রতি আমেরিকার মত বিশ্বের সর্বোচ্চ পরাশক্তির এতটা ভালোবাসার কারণ কী? প্রতি বছরই ইসরাইলকে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার সাহায্য করছে আমেরিকা। সেই সাথে রয়েছে যেকোন জাতীয় কিংবা আন্তর্জাতিক ইস্যুতে ডিপ্লোম্যাটিং ব্যাকিংও। এর পেছনে প্রকৃত কারণ কী হতে পারে? কী করেই বা এই দুই দেশের মধ্যে এমন বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের সৃষ্টি হলো?
    সবসময়ই যে এই দুই দেশের মধ্যে এতটা ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল, তা মনে করলে কিন্তু খুব বড় ভুল করবেন। ইসরায়েল জন্মের পর থেকে প্রথম কয়েক দশক পর্যন্ত এই ঘনিষ্ঠতার লেশমাত্রও ছিল না। প্রেসিডেন্ট আইজেনহাওয়ারের সময়ে ইসরায়েলের প্রতি আমেরিকার দৃষ্টিভঙ্গি তো ছিল খুবই শত্রুভাবাপন্ন। বিশেষত ১৯৫৬ সালে যখন সুয়েজ যুদ্ধ হয়, যেখানে মিশরের বিপক্ষে লড়াই করে ইসরায়েল, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স।
    কিন্তু স্নায়ুযুদ্ধ যতই ঘনীভূত হতে থাকে, ইসরায়েলের সাথে আমেরিকার ঘনিষ্ঠতা ততই বৃদ্ধি পেতে থাকে। মধ্যপ্রাচ্যকে সোভিয়েত প্রভাবমুক্ত করতে আমেরিকার একটি বড় কোন রাষ্ট্রের সহায়তা দরকার ছিল। তাই বাস্তবে ইসরায়েল বড় কোন রাষ্ট্র না হলেও, সেটিকেই ‘বড়’ করে তোলার দায়ভার নিজের কাঁধে তুলে নেয় আমেরিকা। অবশ্য আমেরিকা-ইসরায়েল জুটি সত্যিকারের চূড়ান্ত রূপ ধারণ করতে সময় নেয় ১৯৭৩ সাল পর্যন্ত, যখন ইসরায়েলকে আকস্মিক আরব আক্রমণের হাত থেকে রক্ষা করতে ত্রাণকর্তার ভূমিকায় আবির্ভূত হয় আমেরিকা।
    স্নায়ুযুদ্ধের পর থেকে আমেরিকা-ইসরায়েলের সম্পর্ক খুবই গভীর ও শক্তিশালী, এবং অনেকের মতেই এখন তা অন্য যেকোন সময়ের চেয়ে বেশি। অনেকের কাছেই এর প্রধান কারণ মনে হয় জিহাদিদের বিপক্ষে লড়াইয়ে দুই দেশের অভিন্ন স্বার্থ। তবে অনেকের ধারণা একেবারেই ব্যতিক্রম। আমেরিকান নেতৃস্থানীয়দের গণতন্ত্রের প্রতি দুর্বলতাই নাকি ইসরায়েলের সাথে আমেরিকার সম্পর্ককে উত্তরোত্তর শক্তিশালী করে তুলছে। তবে সবচেয়ে সহজ ব্যাখ্যা যেটি হতে পারে তা হলো, আমেরিকার মানুষের ইসলাম ধর্মের প্রতি বিদ্বেষমূলক মনোভাব, যার ফলে ইসরায়েল-ফিলিস্তিন ইস্যুতে দেশটির অধিকাংশ মানুষের সমর্থনই যায় ইসরায়েলের দিকে।
    এ প্রসঙ্গে অধ্যাপক জন মেয়ারশিমার ও স্টিফেন ওয়াল্টের প্রণীত একটি জনপ্রিয় তত্ত্ব রয়েছে, যেটি বলছে যে দুই দেশের মধ্যে এত গভীর সম্পর্কের পেছনে প্রধান প্রভাবক হলো প্রো-ইসরায়েল লবির শক্তি, বিশেষত আইপ্যাকের (আমেরিকান ইসরায়েল পাবলিক অ্যাফেয়ার্স কমিটি)। তবে এ তত্ত্বের সমালোচকরা বলেন যে আইপ্যাক অতটাও শক্তিশালী নয়, যতটা ওয়াল্ট ও মেয়ারশিমার মনে করেন। ওবামার শাসনামলে আইপ্যাক কর্তৃক ইরানের সাথে পারমাণবিক চুক্তি ব্যর্থ হওয়ার দিকেই সমালোচকরা আঙ্গুল তুলে থাকেন।
    তবে আমেরিকা-ইসরায়েলের মধ্যকার এই ‘বিশেষ সম্পর্ক’- এর পেছনে কারণ যা’ই থাকুক না কেন, ইসরায়েলের প্রতি আমেরিকার অর্থনৈতিক সমর্থন ক্রমশই বেড়ে চলেছে। এখন পর্যন্ত ইসরায়েলকে ১১৮ বিলিয়ন ডলার সাহায্য করেছে আমেরিকা, এবং ইদানিং প্রতি বছর ইসরায়েলের জন্য ৩ বিলিয়ন ডলার বরাদ্দ রেখেছে তারা। এছাড়া জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে ইসরায়েলের স্বার্থবিরোধী যেকোন সিদ্ধান্ত গ্রহণের পথেই নিজেদের ভেটো ক্ষমতার প্রয়োগ ঘটাচ্ছে তারা। সম্প্রতি জেরুজালেমকে ইসরায়েলের প্রকৃত রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে আমেরিকান দূতাবাস তেল আভিভ থেকে জেরুজালেমে সরিয়ে নিয়ে গিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
    অবশ্য এত ঘনিষ্ঠতার পরও প্রায়সই ইসরায়েল ও আমেরিকান অফিসিয়ালদের মধ্যে টেনশন বিরাজ করতে দেখা যায়। এই প্রবণতা আরও বেশি বেড়ে গিয়েছিল ওবামার শাসনামলে, যখন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন নেতানিয়াহু। এই দুই নেতা বেশ কয়েকবারই সেটলমেন্ট ও ইরান ইস্যুতে পরস্পরবিরোধী সিদ্ধান্ত নিয়ে পরিস্থিতি ঘোলাটে করে তুলেছিলেন। এ সম্পর্ক আরও খারাপের দিকে মোড় নেয় যখন ২০১৫ সালের মার্চে কংগ্রেসের এক যৌথ সম্মেলনে ইরান ইস্যুতে ওবামার অবস্থানের সমালোচনায় মুখর হন নেতানিয়াহু। এরপর ওবামার পক্ষ থেকেও নেতানিয়াহুর দিকে সমালোচনার তীর ছোঁড়া হতে থাকে, এবং এক পর্যায়ে মনে হতে শুরু করে আমেরিকা-ইসরায়েলের এতদিনের সম্পর্কে এবার বুঝি ছেদ ঘটবে।





    বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক বিশ্বে মডেল: জয়শংকর

    কোন মন্তব্য নেই
    Print Friendly and PDF

    দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক বিশ্বে মডেল বলে উল্লেখ করেছেন সফররত ভারতের পররাষ্ট্রসচিব এস জয়শংকর। আজ বুধবার গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাতে এ কথা বলেন এস জয়শংকর।
    ত্রিপুরা থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ এবং বাংলাদেশ থেকে ভারতে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলোতে পাঠানোর বিষয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়। সার্ক কৃত্রিম উপগ্রহে সহায়তার জন্য বাংলাদেশ সরকারকে নিজ সরকারের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানান ভারতের পররাষ্ট্রসচিব।
    সাক্ষাৎকালে গত বছরের জুনে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদীর সফরের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে প্রেস ব্রিফিংয়ে জানান প্রধানমন্ত্রীর প্রেসসচিব ইহসানুল করিম।
    বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের স্থলসীমা চুক্তিকে ঐতিহাসিক হিসাবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটি উদাহরণ সৃষ্টি করেছে। ভারতের সংসদে সকল দলের সম্মতিতে স্থলসীমা চুক্তি পাস হয়েছে।
    বাংলাদেশে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সফর প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, নরেন্দ্র মোদীর ওই সফর দু’দেশের সম্পর্ককে একটি নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে। অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক অনেক বেশি ভালো বলেও প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন।
    এ সময় উপস্থিত ছিলেন ভারতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলী, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব আবুল কালাম আজাদ, পররাষ্ট্রসচিব শহীদুল হক, বাংলাদেশে ভারতের রাষ্ট্রদূত হর্ষবর্ধন শ্রীংলা এবং ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব সুপ্রিয়া রঙ্গনাথন।

    ক্যাসিনোর কথা বলে চুরির অর্থ আনা হয় ফিলিপাইনে

    কোন মন্তব্য নেই
    Print Friendly and PDF

    ফিলিপাইনের এই সেই সোলাইরি রিসোর্ট অ্যান্ড ক্যাসিনোর ​জুয়ার টেবিল। যেখানে বাংলাদেশের রিজার্ভের চুরি যাওয়া অর্থের বড় একটি অংশ ফিলিপাইনের স্থানীয় মুদ্রা পেসো হয়ে ঢুকেছিল l ছবি: এএফপি

    ক্যাসিনোতে নতুন বিনিয়োগের কথা বলে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের চুরির অর্থ ফিলিপাইনে নিয়ে যান সুয়া হুয়া গাও এবং ডিং জি জাই নামের দুই চীনা ব্যবসায়ী। গত মঙ্গলবারের সিনেট ব্লু রিবন কমিটির শুনানিতে এ তথ্য দিয়েছেন ঘটনার অন্যতম সন্দেহভাজন ব্যবসায়ী কিম ওয়ং।
    চীনা ওই দুই ব্যবসায়ীর সঙ্গে কিম ওয়ং ও রিজাল কমার্শিয়াল ব্যাংকিং করপোরেশনের (আরসিবিসি) বরখাস্ত হওয়া শাখা ব্যবস্থাপক মায়া সান্তোস দেগুইতোর পরিচয়, অর্থ লেনদেনের প্রক্রিয়া, ভুয়া ব্যাংক হিসাব খোলা থেকে শুরু করে অর্থ পাচার—পুরো ঘটনার বর্ণনা শুনানিতে দিয়েছেন ব্যবসায়ী কিম ওয়ং। নিচে তাঁর জবানিতে ঘটনাটি তুলে ধরা হলো।
    চীনা ব্যবসায়ী সুয়া হুয়া গাওকে আমি চিনি অনেক দিন। আট বছর তিনি ক্যাসিনোর জাংকেট এজেন্ট হিসেবে কাজ করেছেন। সোলাইরি ক্যাসিনোতে গাও অনেক জুয়া খেলেছেন। এমনকি এক দানে ৪৫ কোটি পেসো হেরে যাওয়ার ঘটনাও আছে।
    ২০১৫ সালের কোনো এক সময় আমার মাধ্যমে মায়া সান্তোস দেগুইতোর সঙ্গে সুয়া হুয়া গাওয়ের পরিচয় হয়। ফিলিপাইনে ব্যবসা করতে ব্যাংক হিসাব খোলার জন্য গাও আমার সাহায্য চাইলে মায়ার সঙ্গে আমি তাঁকে পরিচয় করিয়ে দিই। গাও আরসিবিসিতে একটি করপোরেট ডলার হিসাব খুলতে চাইলে মায়া তাঁকে জানান, এমন হিসাব খুলতে পাঁচজন আলাদা ব্যক্তির নামে হিসাব খুলতে হবে। পাঁচজন ব্যক্তি জোগাড় করা গাওয়ের পক্ষে কঠিন হওয়ায় তিনি মায়াকে বিষয়টি সমাধানে অনুরোধ করেন। এরপর মায়া নিজেই ভুয়া তথ্য ও নথি দিয়ে গাওকে করপোরেট হিসাব খুলতে সহায়তা করেন।
    ৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৬—সুয়া হুয়া গাও ও মায়া সান্তোস দেগুইতো মাইডাস হোটেল ও ক্যাসিনোতে আমার কার্যালয়ে দেখা করেন। সেখানে কথোপকথনের একপর্যায়ে মায়া সান্তোস তাঁর ব্যাংকে পাঁচটি ভুয়া ব্যাংক হিসাব যে খোলা হয়েছে, সেটি গাওকে জানান। তাঁদের কথোপকথন অনুযায়ী, পাঁচটি হিসাব খোলার পর সেখানে প্রাথমিক জমা হিসেবে ২ হাজার ৫০০ ডলার জমা করা হয়।
    গাও আমাকে বলেন, ম্যাকাওয়ে ক্যাসিনোর ব্যবসা ভালো চলছে না। গাওয়ের মতো আরও কয়েকজন আছে, যারা ফিলিপাইনের ক্যাসিনোতে বিনিয়োগ করতে চায়। একই দিন ডিং জি জাই নামের ম্যাকাওয়ের আরেক ব্যবসায়ীর সঙ্গেও আমার কথা হয়।
    সুয়া হুয়া গাও ও ডিং জি জাই আমাকে সোলাইরি রিসোর্ট অ্যান্ড ক্যাসিনোতে দেখা করতে বলে জানান, ক্যাসিনোতে বিনিয়োগের অর্থ সেখানে রেমিট্যান্স হিসেবে জমা হবে। এরপর আমি মায়ার সঙ্গে যোগাযোগ করে জানার চেষ্টা করি, আরসিবিসির হিসাবে অর্থ এসেছে কি না।
    ওই দিন বেলা একটার সময় মায়া আমাকে ফোন করে জানান, ৬০ লাখ ডলার হিসাবগুলোতে এসেছে। এরপর আবারও ফোন করে তিনি ৩ কোটি ডলার এবং এর পরবর্তীকালে জমা হওয়া অর্থের তথ্য আমাকে জানান। আমি তাঁকে অর্থ নিয়ে সোলাইরি ক্যাসিনোতে আসতে বলি।
    ৫ ফেব্রুয়ারি—ডিং জি জাই সোলাইরি ক্যাসিনোতে আসেন। সন্ধ্যা ছয়টা থেকে সাড়ে ছয়টার মধ্যে কনকন বাতিস্তা নামের এক ব্যক্তি সেখানে ৮ কোটি ফিলিপিনো পেসো নিয়ে আসেন। একই সময়ে মায়া সান্তোস আরও ২ কোটি পেসো নিয়ে সোলাইরিতে জমা দেওয়ার জন্য নিয়ে আসেন। ৮টা ৫ মিনিটে সব অর্থ জমা করার কাজ শেষ হয়। অর্থ জমার রসিদের একটি ছবি তুলে আমি সেটা জাংকেট অপারেটরের কাছে জমা দিই। এরপর কনকন, মায়া ও আমি একটি কোরিয়ান রেস্তোরাঁয় খেতে যাই।
    ৯ ফেব্রুয়ারি—আমি কনকন বাতিস্তার বাসায় আরও ১০ কোটি পেসো এবং ৩০ লাখ ডলার আনতে যাই।
    ১০ ফেব্রুয়ারি—আরও ১০ কোটি পেসো ও ২০ লাখ ডলার বাতিস্তার বাসা থেকে নিয়ে আসি।
    ১৪ ফেব্রুয়ারি—নতুন আরও ১০ কোটি পেসো বাতিস্তার বাসা থেকে নিয়ে আসি। তিন দিনে আনা মোট ৩০ কোটি পেসো সোলাইরির জাংকেট অপারেটরের কাছে জমা দেওয়া হয়। জাংকেট অপারেটর এর মধ্য থেকে ৫০ লাখ ডলার নিতে চাইলে আমি রাজি হইনি। কারণ, এটা চুক্তির অংশ ছিল না। কিন্তু আমার অনুমতি ছাড়াই জাংকেট অপারেটর ৩ লাখ ৭০ হাজার ডলার তুলে নেয়। আর বাকি ৪৬ লাখ ৩০ হাজার ডলার আমার কাছে থেকে যায়। আমি এই অর্থ বাংলাদেশ সরকারকে ফেরত দিতে চাই। বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এখানে আছেন। তাঁর কাছে যদি কোনো বাক্স থাকে, তাহলে সেখানে এ অর্থ আমি রাখতে পারি।
    সূত্র: ২৯ মার্চের ব্লু রিবন সিনেট শুনানি, ইনকোয়ারার
    Don't Miss
    © all rights reserved
    made with by templateszoo